TO ALL MY STUDENTS AND FOLLOWERS:

যারা ফ্রিল্যান্সিং ছেড়ে দিয়েছেন, বা ছাড়বেন ভাবছেন তারা হয়তো খেয়াল করেছেন, তাদের আমি প্রায়ই খোচা দেই জানার জন্য কি অবস্থা। (বিশেষত পরিচিতদের)
সেখান থেকে আমি কিছু কমন উত্তর পাই।
উত্তর ১ঃ ভাই অনেক চেষ্টা করলাম কাজ পাইনি তাই অন্যকিছু করবো ভাবতেছি।
উত্তর ২ঃ ভাই দুই একটা ম্যাসেজ পাইছিলাম, কাজ পাইছিলাম তারপর দুইশ বছর ধইরা কোনো কাজ নাই।
উত্তর ৩ঃ আব্বা আম্মা বা তাগো হবু বউমা কইছে এইগুলা দিয়া ভবিষ্যতে কিচ্ছু করা যাইবোনা তাই চাকুরী বা অন্যকিছু করতে হবে । মূলত কাজ না পাওয়ায় এরা এখন অন্য শর্টকাটে দৌড়াচ্ছে।

উত্তরদাতা ৩ রে ভুইলা যাই যার হাতে সময় নাই, ১ আর ২ এর প্রশংঙ্গে আসি। আগে একটা গল্প বলি।

আমি গতমাসে ইন্ডিয়া যাই প্রায় ১৫ দিনের জন্য৷ কিন্তু কাজ নেয়া অফ করি মূলত সেপ্টেমবর এর ১০ তারিখ থেকেই যাতে যাওয়ার আগে পেন্ডিং প্যাড়া গুলো শেষ করতে পারি। 😑 যদিও শেষ হয়নি। যাই হোক আমার স্টুডেন্ট বা যারা ফাইভার এক্সপার্ট তারা জানে ফাইভারে ইমপ্রেশন রেশিও মেইনটেইন না করতে পারলে টপ রেটেড ও ধপাস করে মাটিতে পড়ে অর্ডারহীন হয়ে পড়বে। তবুও ভাবলাম ইহকাল একটা ট্যাকাটুকা কামাইতাছি তো সুখের জন্যই, তাই একটু ঘুইরা আসি। নিলাম রিস্ক, কাজকাম বন্ধ দেড় দুইমাস৷ ইন্ডিয়া যাওয়ার পর হটাৎ অটো অর্ডার দুইটা, বেসিক ব্যানার প্যাকেজে৷ (যেটা ফাইভারের লেভেল অনুযায়ী মাসিক ইমপ্রেশনের জন্য হয়েছে) ফলাফল ঝামেলায় পড়লাম, টিমকে বললাম ম্যানেজ করতে কিন্তু ফ্লাইটে থাকায় অর্ডার দুইটাই লেইট কম্পলিশন রেট কমে ৯১ এ 🥴। এটাও দুই বছরে প্রথম হলো লেট ডেলিভারি। আরও একটা অটো অর্ডার আসলো বেশী প্রাইসে দিলাম ক্যান্সেল করে। ঢাকায় যখন ব্যাক করি প্রোফাইল খা খা করতেছে৷ লাল বাত্তি জ্বলতেছে। গিগ রে ঢাকা ক্যান চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিছ্রাইলেও পাইতেছিলাম না। 😒 কিন্তু আমি বিচলিত ছিলাম না৷ আগে ক্লাস নেয়া শুরু করলাম। তারপর এজেন্সি ঘুছাইলাম। এরপর এই ১ তারিখে মনোযোগ দিলাম ডেস্কে। ঘুছিয়ে বসলাম ফাইভার এ। আবার ফাইভারে ব্যাক আর আজকে আলহামদুলিল্লাহ একটিভ অর্ডার ১১২০ ডলারের 😉। ট্রাস্ট মি এখানে আমাকে কারও কাছ থেকে অর্ডার নিতে হয়নি ( শিক্ষার্থী, ফেসবুক রিভিউয়ার, প্রেমিকা, বউ বা শালির থেকে 🙃 শুনলাম অনেকে নাকি নিয়া অনেক বড় বড় এচিভমেন্ট করে ফেলছে ) বা অন্য কোনো অনৈতিক পথও অবলম্বন করতে হয়নি৷ বা কোনো ধরণের স্প্যামিং (পড়ুণ মার্কেটিং)।
আসলে এখানেই আপনার আর আমার মধ্যে পার্থক্য। আমি বুঝি এই মার্কেটে কিভাবে কামব্যাক করা যায়। আসলে প্রচুর বোঝার চেষ্টা করি কিভাবে কি হয়েছে বা হচ্ছে যদিও ততটা জ্ঞানী আমি নই।
যাই হোক কি করেছিঃ
১। ১০৫ ব্যাচের ক্লাসে প্রপোজাল টাইপ দেখানোর জন্য ৩ ধরণের ৩ টা প্রপোজাল লিখি যেখান থেকে ২ টা কনভার্ট হয়েছিলো যা আমার কনভার্শন বাড়িয়েছে (ফলাফল ইমপ্রেশন)
২। গিগ এর প্যাকেজ ঠিকঠাক করেছি কমপিটিটর দের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেখে
৩। আমার টপ ক্যাটাগরাইজড বায়ার যারা ফিল্টার করা ছিলো (বিশেষত এজেন্সি ক্লায়েন্ট গুলোর জন্য) তাদের খোজখবর নেই অবশ্যই প্রফেশনালভাবে। (ফলাফল অর্ডার এবং ইমপ্রেশন)

যাই হোক এটাই ছিলো ফিরে আসার গল্প। 😉 তো অভার অল কি বুঝলেন। আপনাকে শিখতে হবে৷ হেরে গেলে চলবেনা৷ নিজেকে প্রচুর শেখাতে হবে। শুভকামনা রইলো। ❤🔥
পোস্টের উদ্দেশ্য আমার শিক্ষার্থী এবং ফলোয়ারদের অনুপ্রেরণার জন্য৷ এর সাথে কোনো প্রকার কোর্সের সংযোগ নেই। আর আপনার কাছে আরও ট্রিকস থাকলে অবশ্যই শেয়ার করিয়েন৷ শিখে নিবো। 🙂

ideasy

ideasy

আপনার মন্তব্য দিতে পারেন এখানে

আমাদের সম্পর্কে

একটি দক্ষতাঅর্জনে সহায়ক ভার্চুয়াল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । শুরু ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে । আরও জানতে থাকুন আমাদের সাথে । 
প্রতিষ্ঠাতাঃ মঈন আহমেদ । 

সাম্প্রতিক পোস্ট

Follow Us

সিরিজ টিউটোরিয়াল

৮০০+

শিক্ষার্থী

৬৫০+

সফলতার পোস্ট 

১১+

ব্যাচ

২০০+

সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার